সরাসরি মূল অংশে যান

স্টক

ব্রাঞ্চে ব্রাঞ্চে প্রতিটা নড়াচড়া, নম্বর দেওয়া চালানে

ল্যাপটপ আর এক্সেসরিজ একসাথে যায় একটা চালানে, প্রিন্টে দাম থাকে না। প্রতিটা ইউনিটের পেজে দেখা যায় সে কোথায় কোথায় ঘুরেছে।

এক কথায়

LaptopERP-এ ব্রাঞ্চে ব্রাঞ্চে মাল যায় নম্বর দেওয়া ট্রান্সফার চালানে (TRF-YYYYMMDD-NNNN): এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়, যত খুশি সিরিয়ালের ইউনিট আর এক্সেসরিজ, হয় সব যায়, নয় কিছুই না। চালান PDF হয়ে প্রিন্ট হয় দাম ছাড়া, আর শুধু যাদের ট্রান্সফারের অনুমতি আছে তারাই চালান বানাতে পারে।

কীভাবে চলে

  1. কোথা থেকে কোথায়, বাছুন

  2. মাল যোগ করুন

    সিরিয়াল স্ক্যান করুন বা স্টক লিস্ট থেকে “বাছাইগুলো ট্রান্সফার” চাপুন, তারপর এক্সেসরিজের সংখ্যা দিন।

  3. সেভ করুন

    পুরো চালান একসাথে চলে যায়।

  4. ড্রাইভারের জন্য চালান প্রিন্ট

  5. পরে মিলিয়ে দেখুন

    প্রতিটা চালান ট্রান্সফার রিপোর্টে থাকে।

যা যা থাকছে

  • নম্বর দেওয়া চালান

  • স্ক্যান করে চালান বানানো

  • দাম ছাড়া PDF

  • এক্সেসরিজের খরচ যায় সবচেয়ে পুরনো ব্যাচ ধরে

  • তারিখ চেক (ভবিষ্যতের না, মাল আসার আগের না)

  • ট্রান্সফার রিপোর্ট, আলাদা অনুমতিতে

  • ট্রান্সফারের অনুমতি

হাতে-কলমে হিসাব

TRF-20261026-0003

গুদাম থেকে মিরপুর: স্ক্যান করা ১০টা ল্যাপটপ আর ২০টা USB-C কেবল, একটাই চালানে।

  • ড্রাইভারের জন্য দাম ছাড়া প্রিন্ট
  • মিরপুরের স্টকের দাম বাড়ে ল্যাপটপগুলোর কেনা খরচ যত
  • সাথে কেবলগুলোর সবচেয়ে পুরনো ব্যাচের দাম

এখনও তৈরি হয়নি

যে ব্রাঞ্চ মাল পায়, সে এখনও পৌঁছানো কনফার্ম করতে পারে না; “পথে আছে” অবস্থাও নেই।

প্রশ্ন

ব্রাঞ্চে মাল পাঠানো: যা সবাই জানতে চান

সব প্রশ্ন

শুধু যাদের ট্রান্সফারের অনুমতি আছে, তারাই ট্রান্সফার চালান বানাতে পারে।

আপনার দোকানে কেমন চলবে, দেখে নিন

স্টক, বিক্রি আর ব্রাঞ্চ আপনি কীভাবে সামলান, আমাদের বলুন। সেই মতো কাজগুলো চালিয়ে দেখাব, আর যা এখনও তৈরি হয়নি, সেটাও সোজাসুজি বলে দেব।