সরাসরি মূল অংশে যান

বাংলাদেশের ল্যাপটপ দোকানের সফটওয়্যার

সিরিয়াল নম্বর ধরে চালান আপনার ল্যাপটপ দোকান

প্রতিটা ল্যাপটপের হিসাব সিরিয়াল ধরেবাংলা প্যানেল, ৳ লাখ-কোটির হিসাবেআপনার নিজের সিস্টেম, আপনার নিজের ডেটা

কেনা, ব্রাঞ্চের স্টক, POS কাউন্টার, রিপেয়ার, ফেরত আর আসল লাভ, সব এক জায়গায়, বাংলায়। সাথে অনলাইন শপ, যেখানে শুধু সেটাই বিক্রি হয় যা আপনার তাকে আছে।

যেগুলোর জায়গা নেবে

চারটা জিনিসের বদলে একটাই সিস্টেম

  • এক্সেল শিট

    “দুজন এডিট করলেই ফর্মুলা গোলমাল, একই সিরিয়াল দুবার লেখা।”

  • হিসাবের খাতা

    “খোঁজা যায় না, যোগফল নেই, কার কাছে কত বাকি ভুলে যাওয়া।”

  • সাধারণ POS

    “ল্যাপটপকে সাবানের মতো গোনে: কয়টা আছে জানে, কোনটা আছে জানে না।”

  • আলাদা ওয়েবসাইট

    “দোকানের দাম আর স্টকের সাথে মেলে না।”

এক কথায়

LaptopERP বাংলাদেশের ল্যাপটপ আর ইলেকট্রনিক্স দোকানের সিস্টেম। কেনা থেকে বিক্রি, প্রতিটা মেশিনের হিসাব রাখে সিরিয়াল ধরে। POS কাউন্টার, ফেরত, রিপেয়ার আর ব্রাঞ্চে মাল পাঠানো সামলায়, সবখানে একই লাভ দেখায়, আর একই স্টক ও দামে অনলাইন শপ চালায়। প্যানেল শুরু থেকেই বাংলায়।

সিরিয়াল ধরে ধরেসবখানে একই লাভঅনলাইনেও একই স্টকশুরু থেকেই বাংলা

কেন কাজ করে

ল্যাপটপের দোকান যেভাবে চলে, সেভাবেই বানানো

প্রতিটা মেশিনের হিসাব

কোন মেশিন কোথায়, কত দামে কেনা, আর এর সাথে কী কী হয়েছে, সব সময় হাতের কাছে।

  • এক সিরিয়াল দুবার স্টকে ওঠে না
  • নম্বর দেওয়া ট্রান্সফার চালান
  • রিপেয়ার খরচ মেশিনের খরচে
সিরিয়াল ধরে স্টক

একটাই সঠিক হিসাব

লাভ, স্টকের মোট দাম আর বাকি, প্রতিটা স্ক্রিন আর এক্সপোর্টে একই অঙ্ক।

  • ফেরত ধরা হয় ফেরতের মাসেই
  • বিক্রির সময় খরচ পাকা হয়ে যায়
  • বাকি কখনো কাটাকাটি হয় না
রিপোর্ট ও লাভ

আপনার দোকান, এবার অনলাইনে

ওয়েবসাইটে শুধু সেটাই বিক্রি হয় যা আপনার কাছে আছে, এমন পেজে যা Google ঠিকমতো পড়তে পারে।

  • একই স্টক, একই দাম
  • সিরিজ ধরে পেজ
  • Google আর Meta ফিড
অনলাইন শপ

একটা ল্যাপটপের গল্প

কেনা থেকে লাভ পর্যন্ত, প্রতিটা ল্যাপটপের খোঁজ রাখুন

  1. কেনা

    সিরিয়াল আর কেনা দামসহ পারচেজ।

  2. স্টক

    প্রথমে ওঠে গুদামে।

  3. পাঠানো

    চালান কেটে ব্রাঞ্চে যায়।

  4. রিপেয়ার

    খরচটা মেশিনের সাথেই যোগ হয়।

  5. বিক্রি

    কাউন্টারে বা ওয়েবসাইটে, ওয়ারেন্টিসহ।

  6. ফেরত

    টাকা ফেরত বা বদলে দেওয়া; নষ্টটা সাপ্লায়ারের জন্য আলাদা।

প্রতিটা ধাপ ওই মেশিনের নামেই লেখা থাকে, তাই এর পেজে পুরো গল্পটা একসাথে পাবেন।

কাউন্টারে

কাউন্টারে একটা বিক্রি

  1. স্ক্যান বা সার্চ

    সিরিয়াল বা এক্সেসরির বারকোড স্ক্যান করুন; এই ব্রাঞ্চে বিক্রির মতো যা আছে, শুধু সেটাই আসবে।

  2. ভাগ করে পেমেন্ট

    এক বিক্রিতেই ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, কার্ড বা চেক; কত বাকি আর কত ফেরত দিতে হবে, কাউন্টারই দেখিয়ে দেয়।

  3. ওয়ারেন্টিসহ প্রিন্ট

    ইনভয়েসে থাকে প্রতিটা আইটেমের ওয়ারেন্টি, কে কত দিল, আর কত বাকি।

  4. আজকের হিসাবে দেখুন

    আপনার ব্রাঞ্চে আজ কত বিক্রি হলো, আর কোন মাধ্যমে কত টাকা উঠল।

বাংলাদেশের জন্য তৈরি

বাংলাদেশের দোকানের মতো করেই

  • শুরু থেকেই বাংলা প্যানেল
  • সবখানে ৳12,34,567, লাখ-কোটির হিসাবে
  • বিকাশ, নগদ, কার্ড, চেক
  • ঢাকার ভেতরে-বাইরে আলাদা ডেলিভারি চার্জ
  • ব্যাংক EMI ক্যালকুলেটর
  • ফোন নম্বর সব এক ফরম্যাটে

আপনার নিজের সিস্টেম, আপনার নিজের ডেটা

  • অন্য দোকানের ডেটার সাথে কখনো মেশে না
  • যখন খুশি রিপোর্ট Excel আর PDF-এ নামান
  • প্রতিটা আপডেটের সাথে চেঞ্জলগ আর ব্যাকআপ

LaptopERP কোনো শেয়ার করা ক্লাউড অ্যাকাউন্ট না। প্রতিটা দোকান পায় নিজের আলাদা ইনস্টলেশন আর নিজের ডাটাবেস, আমাদের সার্ভারে বা আপনার নিজের সার্ভারে।

মনে যে প্রশ্ন আসে

সন্দেহ থাকা স্বাভাবিক

“সত্যিই চলে?”

সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে একটা মাল্টি-ব্রাঞ্চ ল্যাপটপ দোকানের প্রতিদিনের বেচাকেনা চলছে এটা দিয়েই।

“স্টাফরা পারবে তো?”

প্যানেল বাংলায়; কাউন্টারে একটা সার্চ বক্স আর একটা পেমেন্ট বাটন, ব্যস।

“স্টাফ উল্টাপাল্টা করবে না তো?”

ডিসকাউন্ট দেওয়া, কেনা দাম দেখা, ডিলিট আর ট্রান্সফার, প্রতিটার জন্য আলাদা অনুমতি লাগে।

4টির মধ্যে 1 নম্বর: সত্যিই চলে?

সাধারণ প্রশ্ন

দোকানের মালিকরা যা জিজ্ঞেস করেন

সব প্রশ্ন

হ্যাঁ। অ্যাডমিন প্যানেল শুরু থেকেই বাংলায়, আর কোনো স্টাফ চাইলে নিজের জন্য ইংরেজি করে নিতে পারেন। কাউন্টার, প্রিন্ট করা ইনভয়েস আর স্টক PDF এখন ইংরেজিতে।

আপনার দোকানে কেমন চলবে, দেখে নিন

স্টক, বিক্রি আর ব্রাঞ্চ আপনি কীভাবে সামলান, আমাদের বলুন। সেই মতো কাজগুলো চালিয়ে দেখাব, আর যা এখনও তৈরি হয়নি, সেটাও সোজাসুজি বলে দেব।