সরাসরি মূল অংশে যান

স্টক

এক্সেসরিজ গুনুন যে দামে কিনেছেন

মাউস, চার্জার আর কেবল থাকে ব্যাচে ব্যাচে, প্রতিটার নিজের কেনা দামে, আর বিক্রি হয় আগে সবচেয়ে পুরনোটা।

এক কথায়

LaptopERP-এ এক্সেসরিজ দুই রকম: সিরিয়াল ধরে রাখা জিনিস (যেমন মনিটর), যা ল্যাপটপের মতোই চলে; আর সংখ্যায় রাখা জিনিস, যা থাকে FIFO ব্যাচে, আসল কেনা দামে। বিক্রি আর ট্রান্সফারে আগে যায় সবচেয়ে পুরনো ব্যাচ, আর স্টক গোনার পর “বাল্ক স্টক গুনুন” কম-বেশি দুটোই লিখে রাখে।

কীভাবে চলে

  1. কিনুন

    প্রতিটা কেনা একটা ব্যাচ হয়, নিজের দামে।

  2. নাম, SKU বা স্ক্যানে বিক্রি

  3. খরচসহ ট্রান্সফার

  4. বাল্ক স্টক গুনুন

যা যা থাকছে

  • দুই রকম এক্সেসরি: সিরিয়াল ধরে আর সংখ্যায়

  • ক্যাটাগরি অনুযায়ী স্পেকের ঘর

  • FIFO ব্যাচ

  • SKU বা বারকোডে বিক্রি

  • বাল্ক স্টক গোনা

  • আংশিক ফেরত

  • ব্যাচ ধরে সাপ্লায়ারকে ফেরত

  • “কোন ল্যাপটপে চলে” ফিল্টার

  • শুরুর ক্যাটালগ: ১৬টা ক্যাটাগরি, ২৮টা ব্র্যান্ড

হাতে-কলমে হিসাব

বারোটা মাউস, তিনটা ব্যাচ

মাউস কেনা হয়েছে তিন ব্যাচে: ১০টা ৳350-এ, ১০টা ৳380-এ, ১০টা ৳400-এ। বিক্রি হলো ১২টা।

বাকি ১৮টার (৮টা ৳380-এর, ১০টা ৳400-এর) দাম ধরা হয় ৳7,040।

  • প্রথম ব্যাচ থেকে ১০টা, ৳350 করে৳3,500
  • দ্বিতীয় ব্যাচ থেকে ২টা, ৳380 করে৳760
বিক্রি হওয়া ১২টার খরচ৳4,260

এখনও তৈরি হয়নি

এক্সেসরিজ বিক্রি হয় দোকানে আর কাউন্টারে; ওয়েবসাইটে আসছে 1.9.0 থেকে।

প্রশ্ন

এক্সেসরিজ (FIFO): যা সবাই জানতে চান

সব প্রশ্ন

যেটা আগে এসেছে, সেটা আগে যাবে: বিক্রি আর ট্রান্সফারে আগে যায় সবচেয়ে পুরনো ব্যাচ, যে দামে কিনেছিলেন সেই দামে।

আপনার দোকানে কেমন চলবে, দেখে নিন

স্টক, বিক্রি আর ব্রাঞ্চ আপনি কীভাবে সামলান, আমাদের বলুন। সেই মতো কাজগুলো চালিয়ে দেখাব, আর যা এখনও তৈরি হয়নি, সেটাও সোজাসুজি বলে দেব।