টাকা ও রিপোর্ট
লাভের একটাই অঙ্ক, প্রতিটা স্ক্রিনে
ড্যাশবোর্ড, লাভ-ক্ষতির রিপোর্ট, তার এক্সপোর্ট আর বেশি বিক্রির তালিকা, সবাই একই হিসাব পড়ে। গত মাস বন্ধ মানে বন্ধ।
এক কথায়
LaptopERP প্রতিটা রিপোর্ট, এক্সপোর্ট আর ড্যাশবোর্ডের জন্য লাভের একটাই হিসাব ব্যবহার করে: যে দামে বিক্রি হয়েছে, তা থেকে ওই সময়ের ফেরত বাদ, স্টক মেলানোর কমবেশি যোগ-বিয়োগ, আর অনুমোদিত খরচ বাদ। ফেরত ধরা হয় যে মাসে ফেরত হলো সেই মাসে, আর যে টাকা এখনও পাওনা, সেটা লাভ থেকে আলাদা দেখায়।
কীভাবে চলে
সকালের ড্যাশবোর্ড
১২টা অংশ, সবই রিপোর্টের একই হিসাব থেকে।
[SCREENSHOT: ড্যাশবোর্ড]রিপোর্ট বাছুন
ব্রাঞ্চ আর তারিখ দিয়ে ফিল্টার।
[SCREENSHOT: রিপোর্টের ফিল্টার]এক্সপোর্ট
আপনার প্যাডে PDF, অথবা Excel।
[SCREENSHOT: PDF এক্সপোর্ট]কত পাওনা বাকি, দেখুন
এসব বিক্রির পাওনা টাকা লাভ থেকে আলাদা থাকে।
[SCREENSHOT: পাওনা বাকি]
যা যা থাকছে
ছয়টা রিপোর্ট: বিক্রি, কেনা, স্টক, লাভ-ক্ষতি, এক্সেসরিজ স্টক, ট্রান্সফার
প্রতিটা প্রোডাক্ট কনফিগারেশন আর সিরিয়ালসহ
PDF আর Excel এক্সপোর্ট
লাভের একটাই হিসাব
পাওনা টাকা আলাদা দেখানো
স্টকের দাম কেনা খরচে (কেনা দাম আর রিপেয়ার) আর সম্ভাব্য বিক্রি দামে
বন্ধ ব্রাঞ্চ চিহ্নিত, ইতিহাস থেকে যায়
ড্যাশবোর্ড: আয়, কেনা, স্টক, মোট আর নিট লাভ, মাধ্যম ধরে টাকা আসা-যাওয়া, বিক্রির ধারা, বেশি বিকোনো ল্যাপটপ আর এক্সেসরিজ, সাম্প্রতিক বিক্রি, বাকি কাজ, ড্রয়ারের গরমিল, বকেয়া বিল
প্রতিটা রিপোর্ট আর অংশের আলাদা অনুমতি
প্যানেলেই Google Analytics
হাতে-কলমে হিসাব
একটা ফেরত গত মাসের হিসাব বদলায় না
২৮ সেপ্টেম্বর ৳52,000-এ বিক্রি হওয়া একটা ল্যাপটপ (কেনা ৳46,000) ফেরত এলো ৩ অক্টোবর।
ফেরতের জন্য অক্টোবরে দেখায় −৳6,000। সেপ্টেম্বর বন্ধ হয়ে গেলে তার রিপোর্ট আর বদলায় না।
- বিক্রি, ২৮ সেপ্টেম্বর৳52,000
- ওই ল্যাপটপের কেনা দাম−৳46,000
শুধু যদি তার রোলে অনুমতি থাকে। প্রতিটা রিপোর্ট আর ড্যাশবোর্ডের প্রতিটা অংশের আলাদা অনুমতি।
আপনার দোকানে কেমন চলবে, দেখে নিন
স্টক, বিক্রি আর ব্রাঞ্চ আপনি কীভাবে সামলান, আমাদের বলুন। সেই মতো কাজগুলো চালিয়ে দেখাব, আর যা এখনও তৈরি হয়নি, সেটাও সোজাসুজি বলে দেব।